জেতা ম্যাচ হেরে সরাসরি যাকে দায়ি করলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্ত!

আজ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠে নামে বাংলাদেশ। টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে তারা। তবে ডেভিড মিলার ও হাইনরিখ ক্লাসেনের ব্যাটে ঘুরে দাড়িয়েছে।

প্রথম ওভারেই উইকেট দেখা পায় বাংলাদেশ। শূন্য রানে রিজা হেনড্রিকসকে ফেরান তানজিম হাসান সাকিব। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং লাইন আপে আঘাত হানে তানকিন। ৮ বলে ৪ রান করা এইডেন মার্করামকে ফেরান তিনি। আবার সেই তানজিম হাসান সাকিবের হাত ধরে উইকেট পায় বাংলাদেশ।

১১ বলে ১৮ রান করা কুইন্টন ডি কককে ফেরান তিনি। এরপর ট্রিস্টান স্টাবসকে ফিরিয়ে নিজের তৃতীয় উইকেট ‍তুলে নেন তানজিম হাসান সাকিব। ডাক মারেন ট্রিস্টান স্টাবস। ব্যাটিংয়ে ভয়ংকর হয়ে ওঠা হাইনরিখ ক্লাসেনকে ফেরান তাসকিন। ৪৪ বলে ৪৬ রান করেন তিনি। ভয়ংকর হয়ে ওঠা মিলারকে ফেরান রিশাদ হোসেন। ৩৮ বলে ২৯ রান করেন তিনি।

৪ ওভার বল করে ১৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন তানজিম হাসান সাকিব। ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন তাসকিন। ৪ ওভারে ৩২ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। শেষ পর্যন্ত নির্ধারীত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১১২ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জয়ে জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ১১৩ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৯ বলে ৮ রান করে আউট হন তামিম। ২৩ বলে ১৪ রান করেন শান্ত। ১৩ বলে ৯ রান করেন লিটন দাস। ৪ বলে ৩ রান করেন সাকিব। তবে বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয় থেকে বাঁচান তাওহীদ হৃদয় ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৩৪ বলে ৩৭ রান করেন তাওহীদ হৃদয়। ২৭ বলে ২০ রান করেন মাহমুদউল্লা রিয়াদ। তবে বাংলাদেশের হারা এড়াতে পারেননি তারা দুজন। ৭ উইকেটে ১০৯ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। ফলে ৫ রানের জয় পায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

ম্যাচ হেরে বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্ত বলেন, সবাই নার্ভাস ছিল, কিন্তু জাকের যখন সেখানে ছিল তখন আত্মবিশ্বাসী ছিল। এটা ঘটেনি কিন্তু এটা ঠিক আছে। তানজিদ গত কয়েকটা ম্যাচে সত্যিই কঠোর পরিশ্রম করেছিল, আমাদের নতুন বলের উইকেট দরকার ছিল এবং সে তার চরিত্র দেখিয়েছিল। এই ম্যাচটা আমাদের জেতা উচিত ছিল, আমরা প্রায় পেরেছি কিন্তু শেষ কয়েক ওভারে তারা ভালো বোলিং করেছে। ক্রিকেটে এটা হতেই পারে। রিশাদ খুব ভালো, গত দুই ম্যাচে ও অনুশীলনে ভালো বোলিং করেছে। আমরা 10-15 বছরে লেগস্পিন নিয়ে লড়াই করেছি কিন্তু আশা করি সে অনেক দূর যাবে। আমরা যেখানেই খেলি না কেন, আমরা অনেক সমর্থন পাই। আশা করি এটা একই

বাংলাদেশ একাদশ

তানজিদ হাসান, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), তাওহিদ হৃদয়, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ, জাকের আলী, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও তানজিম হাসান।

দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ

কুইন্টন ডি কক (উইকেটকিপার), রিজা হেনড্রিকস, এইডেন মার্করাম (অধিনায়ক), হাইনরিখ ক্লাসেন, ডেভিড মিলার, ট্রিস্টান স্টাবস, মার্কো ইয়ানসেন, কেশব মহারাজ, কাগিসো রাবাদা, আনরিখ নর্কিয়া, ওটনিল বার্টম্যান

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top