ম্যাচ হেরে মুস্তাফিজকে নিয়ে অবিশ্বাস্য মন্তব্য করলেন অধিনায়ক!

গতকাল বাঁচা মরার লড়াইয়ে বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে মাঠে নামে চেন্নাই সুপার কিংস। যেখানে ২৭ রানের হেরে প্লে-অফের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে চেন্নাই সুপার কিংসের। আর প্লে-অফের টিকিট নিশ্চিত করেছে বেঙ্গালুরু। তবে চলমান আইপিএলে চেন্নাই যেভাবে পারফম করেছে তাতে খুশি চেন্নাইয়ের অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড়।

তিনি আরও মনে করেন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মুস্তাফিজ, পাথিরানা ও ডেভন কনওয়েরা থাকলে ফলাফল অন্যরকম হতে পারতো। আসরের শুরু থেকেই নিউজিল্যান্ডের তারকা ক্রিকেটার ডেভন কনওয়েকে পায়নি চেন্নাই। এরপর দেশে ফিরে আসেন মুস্তাফিজুর রহমান। ৯ ম্যাচে ১৪ উইকেট শিকার করেন ফিজ। চেন্নাইয়ের বড় ভরসার জায়গা ছিল ‍মুস্তাফিজ।

অন্যদিকে শ্রীলঙ্কান পেসার মাথিশা পাথিরানা ইনজুরির কারণে দেশে ফিরে যান। ৬ ম্যাচে ১৩ উইকেট শিকার করেন তিনি।

এবারের আসরের শুরু থেকেই কনওয়েকে পায়নি চেন্নাই। ইনজুরির কারণে দলের সঙ্গে থাকলেও ম্যাচ খেলতে পারেননি কিউই এই ওপেনার। আসরের শুরু থেকে পাথিরানা ছিলেন ইনজুরিতে। এরপর চেনাইয়ের হয়ে ছয়টি ম্যাচ খেলে ১৩ উইকেট নিয়ে দেশে ফিরে যান লঙ্কান এই পেসার।

আসরের শেষে এই তিন ক্রিকেটারকেই স্মরণ করেন রুতুরাজ। এই তিনজনের অনুপস্থিতিতে অন্য দলের সঙ্গে চেন্নাইয়ের ব্যবধান সৃষ্টি হয়েছে বলেও মনে করেন এই ওপেনার। ২১৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে আসরের শেষ পর্যন্ত লড়াই করে হেরে যাওয়ায় ক্রিকেটারদের কৃতিত্ব দিচ্ছেন তিনি। প্লে-অফে পৌঁছাতে ২০১ রান করলেও চলত চেন্নাইয়ের, শেষ দুই বলে দশরান লাগত দলটির। যদিও ২২ বলে ৪২ রানে অপরাজিত থাকা রবীন্দ্র জাদেজা তা নিতে পারেননি।

রুতুরাজ বলেন, ‘মৌসুমের শুরুটা আমরা ভালো করেছি। এজন্য খুশি যে ১৪ ম্যাচের মধ্যে আমরা সাতটা জিতেছি। শেষ দুই বলের ব্যবধানে আমরা লাইন অতিক্রম করতে পারিনি। তবে আমরা যে ধরনের ইনজুরির মধ্যে দিয়ে গেছি, আমাদের সামনের সারির দুইজন বোলার ছিল না। যারা আমাদের জন্য অনেক বড় সম্পদ ছিল। কনওয়েকে আমরা শুরুতে পাইনি। তিন জন মূল ক্রিকেটারের না থাকাটা বড় ধরনের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। চেন্নাইয়ের ম্যানেজমেন্ট, স্টাফরা সবাই পুরো আসর জুড়ে আমাদের অনেক সমর্থন করেছে।’

‘শুরু থেকেই আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। পাথিরানার ইনজুরি, তারপর ফিজের না থাকাটা, এরপর পাথিরানা আসলো, দেশে ফিরে গেল, ফিজকেও আমরা হারিয়েছি। এরকম ইনজুরি চলতে থাকলে স্কোয়াডে ভারসাম্য আনাটা কষ্ট। ম্যাচের জন্য একাদশ বাছাইও কঠিন হয়ে যায়। পুরো আসরে যেভাবে ইনজুরি, ক্রিকেটারদের না পাওয়ার সঙ্গে আমরা লড়েছি তাতে ১৪ ম্যাচে ৭ জয় খারাপ কিছু না। এইদিক দিয়ে আমরা খুশি। শেষ দুই বলে ১০ রান লাগত, ম্যাচটি যেকোনো দিকে যেতে পারত বলে আমি মনে করি।’

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top