চাঞ্চল্যকর তথ্য টি-টোয়েন্টি থেকে সাকিবের বিদায়!

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দীর্ঘ ১৭ বছর সুপার এইটে উঠে বাংলাদেশ। বোলাদের দুর্দান্ত পারফরমেন্সের কারণে সুপার এইটে উঠার যোগ্যতা আর্জন করে বাংলাদেশ। শুধু একটা ম্যাচে ১৬০ রান করে বাংলাদেশ। বাকি প্রায় সব গুলো ম্যাচে বল প্রতি রান করতে ব্যর্থ হয় টাইগার ব্যাটাররা। এই জন্য দায়ি বাংলাদেশের টপ অর্ডার ব্যাটাররা।

নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস, তানজিদ তামিম কেউ ভালো করতে পারেনি এবারের বিশ্বকাপে। তার প্রভার পড়েছে ম্যাচে। তবে পুরো দায় শান্ত লিটনদের না। দলে দুই সিনিয়ার ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সাকিব আল হাসানও ব্যর্থ এবারের বিশ্বকাপে।

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শুধু ব্যাট হাতে নয় বল হাতে ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে। তার প্রভার পড়েছে আইসিসি টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডার র‌্যাংকিংয়ে। দীর্ঘ ১২ বছর পর টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডার র‌্যাংকিংয়ে সেরা পাঁচের বাইরে সাকিব।

তাইতো চারে দিকে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে তবে কি স্টেয়ারিং আর সাকিবের হাতে নেয়। তিনি এখন ড্রাইভিং সিট থেকে প্যাসেঞ্জার সিটে চলে গেছেন।

সাবেক ক্রিকেটার থেকে শুরু করে দেশের অন্যতম সেরা কোচ নাজমুল আবেদীন ফাহিমও মনে করেন এখনি সাকিবের অবসর নিয়ে ভাবা উচিত। মোহম্মদ রফিক বলেন সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ যদি অবসর না নেয় তাহলে বিসিবিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এবারের বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে ৭ ম্যাচে ১৮.৫০ এভারেজে করেছেন ১১১ রান। সর্বোচ্চ ৬৪। বল হাতেও বাজে পারফরমেন্স করেছেন তিনি। ৭ ম্যাচে নিয়েছেন মাত্র ৩ উইকেট। এমন পারফরমেন্সের পর অনেকে বলা শুরু করেছেন এখানেই সাকিবের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে দ্যা এন্ড করা দরকার। তাছড়াও তিনি চোখের সমস্যাতে ভুগছেন। তাইতো হয় বিসিবিকে সিদ্ধান্ত নিতে সাকিবের ব্যাপারে না হয় সাকিবকে নিজেই নিজের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top