বিশ্বের ১ম ক্রিকেটার হিসেবে টি-২০ ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস লিখলেন সাকিব

রোহিত শর্মা সাকিবের দ্বিতীয় ওভারে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করার চেষ্টায় আউট হন, যা সাকিবকে ৫০তম উইকেট এনে দেয়। সাকিব ৪৭ উইকেট নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু করেছিলেন, কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে শুরুটা তার জন্য সুখকর ছিল না। প্রথম তিন ম্যাচেই তিনি ছিলেন উইকেটশূন্য। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে দুই উইকেট পেয়ে উইকেটের খাতা খোলেন।

সাকিবের ৫০ উইকেটের রেকর্ড আপাতত কেউ ছাড়িয়ে যেতে পারছেন না। কারণ, শীর্ষ ৫ উইকেটশিকারির মধ্যে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ছাড়া সবাই অবসর নিয়েছেন। হাসারাঙ্গার উইকেট সংখ্যা ৩৭, এবং শ্রীলঙ্কা বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে। টিকে থাকা ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটধারী অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম জাম্পা, যার উইকেট সংখ্যা ৩৪।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাকিবের প্রথম উইকেট ছিল দিনেশ রামদিন, ২০০৭ সালে। ওমানের বিপক্ষে ২ ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়ে তিনি সবচেয়ে সফল। অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নিয়েছেন ৫টি করে উইকেট। পাকিস্তান ও পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে নিয়েছেন ৪টি করে উইকেট। তার সেরা বোলিং পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে, ৯ রানে ৪ উইকেট।

সাকিবের ইকোনমি রেট ৬.৮৯, যা তার কৃতিত্বের মুকুটে একটি উজ্জ্বল পালক। টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে বিশ্বকাপ মিলিয়ে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির তালিকায় তিনি তৃতীয়। ৭৮ ম্যাচে ৯৩ উইকেট নিয়ে তিনি লাসিথ মালিঙ্গার চেয়ে মাত্র ১ উইকেটে পিছিয়ে আছেন, যার উইকেট সংখ্যা ৬০ ম্যাচে ৯৪। সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি মিচেল স্টার্ক, ৫২ ম্যাচে ৯৫ উইকেট।

৯৩ উইকেটের মালিক সাকিব আগামী বিশ্বকাপগুলোতে খেলবেন কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ আছে, কারণ তিনি ক্যারিয়ারের শেষ পর্যায়ে। তবে এখনই তার পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় ভবিষ্যতে তাকে আর বিশ্বকাপে দেখা যাবে কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top