সুপার এইট থেকে বিদায় হয়ে যাদেরকে দুষলেন তাসকিন!

২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর প্রথমবার কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপে সুপার এইটে খেলেছে বাংলাদেশ। সে দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের এবারের বিশ্বকাপ মিশনকে ব্যর্থ বলা যায় না। আবার সুপার এইটের নাজুক পারফরম্যান্স দেখলে বিশ্বকাপ দারুণ কেটেছে সেটাও বলা যায় না। এককথায় ভালো-মন্দের মিশেলে কেটেছে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ।

এখন চলছে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ মিশন নিয়ে কাটাছেঁড়া। সুপার এইটে খেলার মতো অর্জনের পরও কেন সমর্থকরা খুশি নন, কেনই-বা আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের পর ক্ষমা চাইতে হলো অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে।

এই প্রশ্নের উত্তর খুব বেশি জটিল নয়। জাতীয় দলের বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই বিশ্বকাপে পারফর্ম করতে পারেননি। টপ অর্ডারে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছেন অধিনায়ক শান্ত, লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিমরা। তবে তাদের ছাপিয়ে দুই ‘সিনিয়র’ ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এবং মাহমুদউল্লাহর অফফর্ম সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে।

যেখানে বিশ্বকাপে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল তাদের, সেখানে তারাই চূড়ান্তভাবে দলকে হতাশ করেছেন। শ্রীলংকার বিপক্ষে মাহমুদউল্লাহর ক্যামিও এবং নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সাকিবের ফিফটি বাদ দিলে এই ক্রিকেটার বিশ্বকাপে আর বলার মতো কিছুই করতে পারেননি।

সাকিব যেমন সবমিলিয়ে ব্যাট হাতে রান করেছেন ১১১, স্ট্রাইক রেট মোটে ১০৭ ছুঁইছুঁই। বল হাতে তার দৈন্যদশা আরও প্রকট, ৭ ম্যাচের ৬টিতে বোলিং করে পেয়েছেন মোটে ৩ উইকেট। গড় সবচেয়ে বাজে তার, ইকোনমির দিক থেকেও শেষের দিক থেকে দ্বিতীয় তিনি।

মাহমুদউল্লাহ তো সাত ম্যাচে ১০০ রানও করতে পারেননি।আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১৯ বলে যখন ৪৩ রান প্রয়োজন, তখন নুর আহমেদের ওভারে টানা পাঁচ ডট খেলে সমর্থকদের বিরক্তির কারণ হয়েছেন।

সাকিব-মাহমুদউল্লাহর অফফর্ম যে দলকে বেশ ভুগিয়েছে, তা উঠে এসেছে পেসার তাসকিন আহমেদের কথায়। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই দুইজন সিনিয়র ক্রিকেটারদের অফফর্ম আমাদের দলে প্রভাব ফেলেছে। কিন্তু মাঠের বাইরে কোনো প্রভাব ফেলেনি, কারণ মাঠের বাইরে তারা বেশ ভালো টিমম্যান। দলের মূল খেলোয়াড়রা অফ ফর্মে থাকলে সমস্যা হওয়াটাই স্বাভাবিক। আশা করছি, দ্রুত এসব কাটিয়ে উঠে সামনে ভালো কিছু করব।’

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top