তামিম ইকবাল ও মেহেদী মিরাজের কপাল পুরার কারন ফাঁস!

ন্যাড়া বেলতলায় কবার যায়। বাংলাদেশের ক্রিকেটের ক্ষেত্রে প্রশ্ন তার সবার। একই ভুল হয় বারবার। এমন পরিস্থিতি থেকে কে করবেন উদ্ধার। কাক একমাত্র পাখি যে ঈগলের ঘাড়ে বসে তাকে বিরক্ত করতে পারদর্শী। কিন্তু ঈগল কাকের সাথে লড়াই করে অপচয় করে না সময় শক্তি। ঈগল দ্রুতগতিতে উপরে উঠতে থাকে। একসময় দুর্বল হয়ে পড়ে। ঈগলের ঘাড় থেকে দ্রুত নিচে চলে আসে। কিন্তু বাংলার ক্রিকেটের চিত্রটা উল্টো। এখানে বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড়। তারাই ঠিক করে জাতীয় দল কিভাবে চলবে। দুইটা ঘটনাকে সামনে আনলে সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে।

টাইমলাইন ওডিআই বিশ্বকাপ থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বাংলাদেশের ক্রিকেটে পরেছে কালো দাগ। সামর্থ্য নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। বুমেরাং হয়েছে কিছু সিদ্ধান্ত। এখন অনেকের মনে পড়ছে মেহেদী হাসান মিরাজের কথা। ঠিক ছিল তো এই অলরাউন্ডার কে বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ দেয়া। ম্যাচের পর ম্যাচ খারাপ খেলে ও লিটন আছেন বহাল তবিয়তে। মিরাজ থাকলে ওপেনিংয়ে একটা ব্যাক-আপ অপশন বাড়তো। আবার লোয়ার অর্ডার তাকে বিবেচনা করা যেত। অথচ আনফিট পারফর্ম না করেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে জায়গা পান সৌম্য। এই কেমন বৈষম্য। মিরাজকে কি সৌম্য সরকারের চেয়ে অযোগ্য।

মিরাজের মত চনমন ক্রিকেটারের উপস্থিতি হয়তো দলের টিম স্পিরিট বাড়িয়ে দিত। পাশাপাশি তার অফ স্পিনটাও কার্যকরী হত মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের মতো। এবার চলে যায় ফ্ল্যাশব্যাকে ২০২৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বরে। বিনামেঘে যেদিন বজ্রপাত হয়েছিল বাংলার ক্রিকেটে। সেদিনই ঘোষণা করা হয় ওডিআই বিশ্বকাপের বাংলাদেশ দল। একটা ঘটনা নাড়িয়ে দেয় গোটা দেশকে। তামিম ইকবালের জায়গা হয়নি বিশ্বকাপ দলে।

কেউ কি হতে পারে। তামিমের শূন্যস্থানে কি পূরণ করা গেছে। একজন নির্ভরযোগ্য ওপেনার কি পাওয়া গেছে। এক সিদ্ধান্তই নড়বড়ে করে দেয় বাংলাদেশ দলের মনোবলকে। যার সরাসরি প্রভাব পড়ে ওডিআই বিশ্বকাপে। টাইগাররা যাচ্ছেতাই পারফর্ম করে। প্রতিটা ম্যাচে তামিম ইকবালের অভাব অনুভব করে। কিন্তু এমনটা তো হওয়ার কথা ছিল না। যে তবে নাটের গুরু। তিনি আর কেউ নন হেড কোচ হাথুরু। লঙ্কান বাংলাদেশের ক্রিকেটে বুনে দিয়েছেন অস্থিরতার বীজ। ওডিআই বিশ্বকাপে তামিম ইকবাল। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মেহেদী হাসান মিরাজ কাটা। এভাবেই হাথুরুসিংহের স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্তে ধুকছে বাংলা। নাকি তামিম ইকবাল মেহেদি মিরাজ আসল কালপ্রিট। বাকি সবাই ধোয়া তুলসি পাতা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top