ব্রেকিং নিউজঃ তামিমের কাছে হারলো সাকিব!

প্রাইম ব্যাংকের পেসার রেজাউর রহমান রাজার আগুনে পুড়ল শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। প্রাইম ব্যাংকের দেয়া ২৭১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শেখ জামালের ইনিংস গুটিয়ে গেছে মাত্র ৭১ রানে। প্রাইম ব্যাংকের পেসার রাজা একাই নিয়েছেন ৮ উইকেট। তার বোলিংয়ের সামনে পাত্তাই পায়নি শেখ জামালের তারকা বহুল ব্যাটিং লাইনআপ।

মাঝারি লক্ষ্যে খেলতে নেমে দলীয় ১০ রানেই শেখ জামাল হারায় ওপেনার সাইফ হাসানের উইকেট। এরপর আর ২২ রান তুলতে আরও ৬ উইকেট হারিয়েছে দলটি। টপ অর্ডারে দুই অঙ্কে যেতে পেরেছেন কেবল সৈকত আলী। তিনি ১২ রান করে আউট হয়েছেন।

অধিনায়ক সাকিব আল হাসান রানের খাতাই খুলতে পারেননি। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ১৬ রান করে আউট হয়েছেন ইয়াসির আলী রাব্বি। শেখ জামালের দুই ওপেনারকেই ফিরিয়েছিলেন হাসান মাহমুদ। প্রিমিয়ার লিগের শেষ ম্যাচটিতে দশম ওভারে আক্রমণে আসেন রাজা।

সেই ওভারেই ফজলে মাহমুদ রাব্বিকে আউট করে শুরু। এরপর আর কোনো ব্যাটারই পাত্তা পাননি রাজার সামনে। গতিময় ফুল লেংথ ডেলিভারিতে রিপন মণ্ডলের অফ স্টাম্প উপড়ে পাঁচ উইকেট পেয়েছিলেন রাজা। এরপরও থামেননি তিনি। একে একে আরও নিয়েছেন আবেদুর রহমান, ইয়াসির ও শফিকুল ইসলামের উইকেট।

শেষ পর্যন্ত ৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন আরিফ আহমেদ। ৬.৩ ওভার বোলিং করে মাত্র ২৩ রান খরচায় ৮ উইকেট নিয়েছেন প্রাইম ব্যাংকের এই পেসার। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এটাই যেকোনো বাংলাদেশি বোলারের সেরা বোলিং পরিসংখ্যান। এত দিন ধরে রেকর্ডটি ছিল ইয়াসিন আরাফাতের।

২০১৮ সালে আবাহনী লিমিটেডের বিপক্ষে ৪০ রানে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের এই পেসার। রাজার বিধ্বংসী বোলিংয়ে ভর করেই ১৯৯ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে প্রাইম ব্যাংক।

এর আগে এই ম্যাচে টসে জিতে প্রাইম ব্যাংককে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় শেখ জামাল। ব্যাটিংয়ে নেমে ১২ রান করেই সাজঘরে ফেরেন শাহাদাত হোসেন দিপু। তামিম ইকবাল ফেরেন ২২ রান করে। তৃতীয় উইকেটে জাকির হাসান ও মুশফিকুর রহিম যোগ করেন ১৩৩ রানে যোগ করেছেন।

মূলত এই জুটিতে ভর করেই বড় সংগ্রহের ভিত পায় প্রাইম ব্যাংক। দুজনই সেঞ্চুরির প্রত্যাশা জাগিয়েছিলেন। তবে কেউই তিন অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি। জাকির ৯৫ বলে ৮৫ রান করে আউট হন। মুশফিক ফিরে যান ৯৪ বলে ৭৮ রানের ইনিংস খেলে।

শেষের দিকে হাসান মাহমুদের ২২ ও নাজমুল ইসলাম অপুর অপরাজিত ১৫ রানে বড় পুঁজি পায় প্রাইম ব্যাংক। সাকিব আল হাসানের সঙ্গে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন শফিকুল ইসলাম, আরিফ আহমেদ ও তাইবুর রহমান। একটি উইকেট নিয়েছেন সাইফ হাসান।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top